A PHP Error was encountered

Severity: Warning

Message: imagejpeg(assets/shares/bn/news-7fc8ade4c669c685b1e15f30982d3f65.jpeg): failed to open stream: Permission denied

Filename: controllers/Reader.php

Line Number: 352

Backtrace:

File: /var/www/html/old_jamuna/application/controllers/Reader.php
Line: 352
Function: imagejpeg

File: /var/www/html/old_jamuna/application/controllers/Reader.php
Line: 66
Function: call_user_func_array

File: /var/www/html/old_jamuna/index.php
Line: 295
Function: require_once

নির্বাচনের আগে লেভেল প্লেয়িং ... | jamunanews24.com

নির্বাচনের আগে লেভেল প্লেয়িং ... | jamunanews24.com

যমুনা নিউজ: নির্বাচনের আগে লেবেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি করতে &lsq...

বাংলা  
 জাতীয়
নির্বাচনের আগে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড চাই
Published : Friday, 13 January, 2017 at 7:40 PM,  Read :  63  times.
নির্বাচনের আগে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড চাইযমুনা নিউজ: নির্বাচনের আগে লেবেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি করতে ‘বিরোধী দল নির্মূলের পথ’ থেকে সরে আসার আহ্বান জানিয়ে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, সকল রাজনৈতিক নেতাকে মুক্তি দিতে হবে। মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার করতে হবে। সভা- সমাবেশ করার সমান সুযোগ দিতে হবে। গণমাধ্যমকে স্বাধীনতা দিতে হবে। এক কথায় প্রকৃত গণতান্ত্রিক পরিবেশ তথা রাজনীতিকে তার স্বাভাবিক পথে চলতে দিতে হবে।

জাতির উদ্দেশ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেয়া ভাষণের পরিপ্রেক্ষিতে শুক্রবার বিকেলে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন তিনি। গুলশানে চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক কার্যালয়ে এই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচন বর্জন করা বিএনপি নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন আয়োজনের দাবি জানিয়ে আসলেও এখন সেই অবস্থান থেকে সরে এসে একটি নির্বাচনকালীন ‘সহায়ক সরকার’ চাইছে দলটি।

মির্জা ফখরুল বলেন, আমরা তো নির্বাচন অংশ নিতে চাই। কারণ, আমরা বিশ্বাস করি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমেই জনগণের প্রতিনিধিত্বশীল সরকার প্রতিষ্ঠা হতে পারে। সে জন্য নির্বাচনকালীন সহায়ক সরকারের অধীনে সব দলের অংশগ্রহণে মধ্য দিয়ে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়া উচিত।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, আমরা এখনও আশা করি প্রধানমন্ত্রী গণতন্ত্র ধ্বংস করার একদলীয় শাসন প্রবর্তনের ভয়ঙ্কর পথ থেকে সরে গিয়ে গণতন্ত্রের মুক্ত পথে চলবেন। জনগণের আশা আকাঙ্খা পূরণ করার জন্য বিরোধী দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা করে আগামী নির্বাচন এবং রাজনীতির গতিপথ নির্ধারণ করবেন। নতুন আশার আলো দেখাবেন। অন্যথায় জনগণের কাছে তাকে জবাবদিহি করতে হবে।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তার ভাষণে এমনভাবে চিত্রায়িত করেছেন যে সব উন্নয়ন তার দুই দফার সরকারের ৮ বছরেই হয়েছে। যা সঠিক নয়। অর্থনৈতিক উন্নয়ন একটি চলমান প্রক্রিয়া। দ্রুত সময়ের মধ্যে দারিদ্রবিমোচন, মিলেনিয়াম ডেভেলপমেন্ট লক্ষ্যমাত্রা অর্জন, জীবন-যাত্রার মান উন্নয়ন, দুর্বল জনগোষ্ঠীর জন্য সামাজিক নিরাপত্তা বলয় গড়ে তোলা, খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করার কাজগুলো কোন একটি বিশেষ সরকারের একক প্রচেষ্টার ফসল নয়। প্রধানমন্ত্রীর দাবি তাই অনৈতিক এবং শুধু আত্মতুষ্টির প্রচেষ্টা।

আওয়ামী লীগ সরকারের গত ৮ বছরে ধনী আরও ধনী, গরীব আরও গবীব হয়েছে মন্তব্য করে তিনি বলেন, নজীরবিহীন দলীয়করণ, প্রশাসন ও অন্যান্য রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানকে দুর্বল ও ক্ষয়িষ্ণু করেছে। জবাবদিহিতার অভাব, অকার্যকর পালার্মেন্ট দুর্নীতিকে লাগামহীন পর্যায়ে নিয়ে গেছে। রাজনৈতিক হস্তক্ষেপে অর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো প্রায় ধ্বংসের মুখে।

ফখরুল বলেন, সরকার বাংলাদেশের অর্থনীতিকে ভেতরে ভেতরে অন্তঃসার শূন্য করে ফেলছে। আর সে কারণে শুধু পোশাক খাতের আয় ও রেমিন্টেন্সের কারণে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বাড়লেই অর্থনীতি চাঙ্গা হয় না। দেশে সত্যিকার বিনিয়োগ অর্থাৎ ম্যানুফ্যাকচারিং শিল্পে বিনিয়োগের জন্য মূলধনী যন্ত্রপাতি আমদানি কত পরিমাণ বেড়েছে না কমেছে সেটা দেখা অত্যন্ত জরুরি। কর্মসংস্থান সৃষ্টি হচ্ছে কিনা তাও দেখতে হবে। সাপ্লায়ার্স ক্রেডিটে বিদেশি বিনিয়োগ কোন ক্ষেত্রে কিভাবে আসছে তা দেখতে হবে। এর জন্যে জনগণকে কতোটুকু প্রকৃত মূল্য দিতে হচ্ছে? সেই বিষয়গুলো প্রধানমন্ত্রীর ভাষণে সুকৌশলে এড়িয়ে যাওয়া হয়েছে।

বিএনপির এই নেতা বলেন, মাথাপিছু আয় ৫৪৩ থেকে বেড়ে ১৪৬৬ ডলার হয়েছে। কিন্তু শুভংকরের ফাঁকি হল আয় বৈষম্য বেড়েই চলেছে। উন্নয়নের সুফল কিছু সরকারের অনুগ্রহপুষ্ট ব্যক্তিদের কাছে কুক্ষিগত হচ্ছে। দরিদ্র্য ও নিম্নমধ্যবিত্তের অবস্থা আরো শোচনীয় হচ্ছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরির তদন্ত রিপোর্ট প্রকাশের দাবি জানিয়ে বিএনপির এই নেতা বলেন, সরকারি লোকজন বেসিক ব্যাংকসহ রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোকে ফোঁকর করে দিচ্ছে। হাজার হাজার কোটি টাকা বের করে নেয়া হয়েছে ব্যাংকগুলো থেকে।

কুইক রেন্টাল পাওয়ার প্লান্টের নামে জনগণের পকেট কাটা হচ্ছে মন্তব্য করেন তিনি। এ সময় রামপালে কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র ‘মানবতা বিরোধী’ ও রূপপুরে পারমানবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপন প্রকল্পকে ‘চরম ঝুকিপূর্ণ’ অভিহিত করে এর সমালোচনা ও বিরোধিতা করেন বিএনপি মহাসচিব।

প্রধানমন্ত্রী তার সরকারের শাসনামলে শিক্ষার আমুল পরিবর্তন করেছেন দাবি করলেও মির্জা ফখরুল বলেন, সরকার শিক্ষা ব্যবস্থা ধ্বংস করে দিয়েছে।

খালেদা জিয়াসহ দলের নেতাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা এবং এতে সাজা দিয়ে সরকার রাজনৈতিক পরিবেশ-পরিস্থিতি জটিল করে তুলছে উল্লেখ করে ফখরুল বলেন, ক্রসফায়ার, বিচার বহির্ভূত হত্যাকাণ্ড, গুম, খুন, পুলিশের হেফাজতে হত্যা, মিথ্যা মামলায় রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের হয়রানি, দেশের রাজনৈতিক পরিবেশকে অসহনীয় করে তুলেছে।

তিনি বলেন, এসবের প্রেক্ষাপটে দেশবাসীর প্রত্যাশা ছিলো প্রধানমন্ত্রী তার ভাষণে এই সংকট চিহ্নিত করবেন এবং তা নিরসনের পথের সন্ধান দেবেন। সেটাই ছিলো তার জন্য রাষ্ট্র নায়কোচিত কাজ। তিনি তা না করে রাজনৈতিক দলগুলোকে শুধুমাত্র নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে বলেছেন।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, উন্নয়নের কথা বলে, গণতন্ত্রকে হত্যা করে, জনগণের ভোটের অধিকার হরণ করে, একদলীয় শাসন প্রতিষ্ঠা করার অপচেষ্টা জনগণ কোনদিনই মেনে নেবেনা।

সংবাদ সম্মেলনে বিএনপি নেতাদের মধ্যে ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, নজরুল ইসলাম খান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

jamunanews24.com/M.Arif/sm/13 janu 2017

� পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ �