যৌন ব্যবসায় পাচার বাংলাদেশি ন... | jamunanews24.com

যমুনা নিউজ: ভারতে যৌন ব্যবসায় পাচারের শিকার এক বাংলাদেশিসহ ১৪...

বাংলা  
 আন্তর্জাতিক
যৌন ব্যবসায় পাচার বাংলাদেশি নারী উদ্ধার
Published : Friday, 13 January, 2017 at 3:56 PM,  Read :  73  times.
যৌন ব্যবসায় পাচার বাংলাদেশি নারী উদ্ধারযমুনা নিউজ: ভারতে যৌন ব্যবসায় পাচারের শিকার এক বাংলাদেশিসহ ১৪ নারীকে উদ্ধার করেছে সেদেশের পুলিশ। বুধার ব্যাঙ্গালুরু শহরে অভিযান চালিয়ে একটি বড় ধরনের মানবপাচার নেটওয়াকের্র মুখোশ উম্মোচনের পাশাপাশি তাদের উদ্ধার করে পুলিশ। এসময় যৌন ব্যবসায়ী চক্রের সঙ্গে জড়িত ৮ জনকে আটক করা হয়েছে।

শুক্রবার নিউ ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের খবরে বলা হয়, এসব নারীকে পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশ থেকে সেখানে নেয়া হয়েছে। তাদের মূলত কাজের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ব্যাঙ্গালুরু শহরে নিয়ে যৌন ব্যবসায় বাধ্য করা হয়।

এক পুলিশ কর্মকর্তা জানান, পাচারের শিকার নারীদের ভুয়া ভোটার আইডি কার্ড ও অন্যান্য কাগজপত্র সরবরাহ করা হয়। ভারতের সেন্ট্রাল ক্রাইম ব্রাঞ্চের (সিসিবি) নারী ও মাদক স্কোয়াড এ অভিযান পরিচালনা করে। শহরের বিবেকনগর ও ইজিপুরার পাঁচটি বাসায় তারা এ অভিযান চালায়।

আটকৃকতরা হলো দিপু মন্ডল ওরফে অমিথ, সুমেন রায়, তরুণ ঘোষ, সুজিত সরকার, অচিন্ত মজুমদার, সঞ্জয় সিল, সোরাব আলী ও জোসনা মন্ডল ওরফে আশা। তারা সবাই পশ্চিমবঙ্গের বাসিন্দা। বয়স ২৪ থেকে ৪৫ বছরের মধ্যে।

এক উর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তা বলেছেন, জিজ্ঞাসাবাদের সময় জানা গেছে ভুক্তভোগী নারীদের ম্যাসেজ পার্লারে কাজ করতে বাধ্য করা হয়েছে।

তিনি জানান, নারীদের ভুয়া নামসহ আইডি কার্ড দেয়া হয়। পুলিশ সন্দেহ করছে চক্রটি দেশব্যাপী স্বক্রিয় থাকা বৃহত্তর মানব পাচার নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত আছে। চক্রটি সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে দালালদের সঙ্গে যোগাযোগ করে এবং এর মাধ্যমে নারীদের ছবি ও বিস্তারিত তথ্য আদানপ্রদান করে।

এক পুলিশ কর্মকর্তা জানান, ভুক্তভোগীদের একটি পুনর্বাসন কেন্দ্রে স্থানান্তর করা হয়েছে। পরবর্তী তদন্ত চলছে। আমাদের কাছে আরও তথ্য আছে অভিযুক্তরা পার্শ্ববর্তী রাজ্য থেকে অল্প বয়স্ক মেয়েদের নিয়ে এসে তাদের বিউটি পার্লারে কাজ করতে বাধ্য করেছে। কিছু ক্ষেত্রে তাদের দালালদের কাছে বিক্রিও করে দেয়া হয়েছে। অভিযুক্তরা আগেও একই ধরনের কাজে জড়িত ছিল কিনা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

চক্রটি কীভাবে এমন নেটওয়ার্ক গোড়ে তুলেছে এ সম্পর্কে সিসিবি’র এক তদন্ত কর্মকর্তা বলেন, শহরে কয়েকটি চক্র একইভাবে কার্যক্রম চালাচ্ছে। সাধারণত মেয়েদের বিয়ে করার প্রলোভন দেখিয়ে এখানে নিয়ে আসা হয়। অতঃপর তাদের বিক্রি করে দেয়া হয়। কখনও মেয়েদের ১ লাখ থেকে ২ লাখ টাকায় বিক্রি করে দেয়া হয় অথবা ম্যাসেজ পার্লারে কাজ করতে বাধ্য করা হয়। বুধবারের ঘটনার প্রধান অভিযুক্ত দিপু মন্ডল ও আশা। তাদের মধ্যে সম্পর্ক রয়েছে। আশা দিপুকে মেয়েদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে সাহায্য করেছে।

jamunanews24.com/Momin/13 January 2017

� পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ �