ভর্তি বাণিজ্যের বিষয় এড়িয়ে গে... | jamunanews24.com

আবুল কাশেম : রাজধানীর খ্যাতনামা ১৫টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধ...

বাংলা  
 জাতীয়
ভর্তি বাণিজ্যের বিষয় এড়িয়ে গেল ১৫ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান
Published : Friday, 13 January, 2017 at 12:52 PM,  Read :  72  times.
ভর্তি বাণিজ্যের বিষয় এড়িয়ে গেল ১৫ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানআবুল কাশেম : রাজধানীর খ্যাতনামা ১৫টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চিঠির জবাব দিয়েছেন। তবে তাদের পাঠানো জবাবে এবং সরবরাহ করা তথ্য-উপাত্তে ভর্তি বাণিজ্যের বিষয়টি এড়িয়ে যাওয়া হয়েছে।

দুদক সচিব আবু মো. মোস্তফা কামাল যমুনা নিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

জানা যায়, গত ৮ জানুয়ারি দুদকের পরিচালক মীর জয়নুল আবেদীন শিবলীর পাঠানো চিঠিতে রাজধানীর ১৫টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে তাদের বিভিন্ন শ্রেণিতে শূন্য আসন সংখ্যা, শূন্য আসনে ভর্তির পদ্ধতি ও নীতিমালা সম্পর্কে তথ্য সরবরাহ করতে বলা হয়।

শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো হলো- ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজ, গভর্নমেন্ট ল্যাবরেটরি হাই স্কুল, সেন্ট জোসেফ উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়, মতিঝিল সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়, মতিঝিল আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ, উইলস লিটল ফ্লাওয়ার স্কুল অ্যান্ড কলেজ, উদয়ন উচ্চ বিদ্যালয়, ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ, আজিমপুর গভর্নমেন্ট গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজ, অগ্রণী গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজ, রাজউক উত্তরা মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ, ধানমন্ডি গভর্নমেন্ট বয়েজ স্কুল অ্যান্ড কলেজ, মোহাম্মদপুর প্রিপারেটরি উচ্চ বিদ্যালয়, হলিক্রস উচ্চ বালিকা বিদ্যালয় ও মণিপুর উচ্চ বিদ্যালয়।

দুদক কর্মকর্তারা বলেন, বেধে দেয়া সময় ১২ জানুয়ারির মধ্যে বৃহস্পতিবার ১৫টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান চিঠির জবাব দিয়েছে। এখন তাদের দেয়া তথ্য উপাত্ত এবং দুদকে আগের জমা হওয়া অভিযোগগুলো তদন্ত করা হবে।

অভিভাবকদের পক্ষ থেকে দুদকের কাছে রাজধানীর স্বনামধন্য এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে ভর্তি বাণিজ্য সম্পর্কিত বেশ কিছু সুনিদিষ্ট অভিযোগ জমা পড়েছে।

রাজধানীর নামী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে ভর্তি–বাণিজ্য সম্পর্কিত অভিযোগ নতুন বিষয় নয়। তবে এবারই প্রথম দুদক ওই সব অভিযোগ যাচাই–বাছাইয়ের পদক্ষেপ নিতে পরিচালক মীর জয়নুল আবেদীনকে তদন্তের দায়িত্ব দেয়া হয়। তদন্তের অংশ হিসেবে তিনি এসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে তথ্য চেয়ে চিঠি পাঠিয়েছিলেন। তবে দুদক অনেক আগে থেকেই এই অভিযোগের অনুসন্ধান শুরু করেছে।

জানা গেছে, দুদকের চেয়ারম্যানের নির্দেশে পরিচালক মীর জয়নুল আবেদীন শিবলীর নেতৃত্বে একটি অনুসন্ধান টিমকে দ্রুত প্রতিবেদন দাখিল করতে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। এই টিম এখন ওইসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের তথ্য-উপাত্ত যাচাই করবেন। যাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা তথ্য সরবরাহ কিংবা তথ্য গোপনের অভিযোগ পাওয়া যাবে তাদের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নেয়ার সুপারিশসহ প্রতিবেদন দেয়া হবে।

Jamunanews24.com /kashem/ sm/12 Janu. 2017

� পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ �