বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় আ.লীগে... | jamunanews24.com

যমুনা নিউজ: প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত জেলা পরিষদ নির্বাচনে ৬১টি...

বাংলা  
 জাতীয়
বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় আ.লীগের ১২ প্রার্থী নির্বাচিত
Published : Friday, 2 December, 2016 at 12:31 AM,  Read :  49  times.
বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় আ.লীগের ১২ প্রার্থী নির্বাচিতযমুনা নিউজ: প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত জেলা পরিষদ নির্বাচনে ৬১টি জেলার মধ্যে ১২টিতে আওয়ামী লীগ মনোনীত চেয়ারম্যান প্রার্থীরা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হতে যাচ্ছেন।

বৃহস্পতিবার ইসির জনসংযোগ বিভাগের পরিচালক এস এম আসাদুজ্জামান যমুনা নিউজ টোয়েন্টি ফোর ডটকমকে জানান, মনোনয়নপত্র জমা দেয়ার শেষ দিনে ১২টি জেলায় একজন করে মনোনয়নপত্র জমা দেন। ফলে এসব জেলায় প্রতিদ্বন্দ্বী না থাকায় নির্বাচিত হতে যাচ্ছেন প্রার্থীরা।

তিনি জানান, চেয়ারম্যান পদে মোট ১৯০টি মনোনয়নপত্র জমা পড়েছে। আর সদস্য পদে ৩৫৬১টি এবং সংরক্ষিত নারী আসনের সদস্য পদের জন্য ৮৯৫ জন মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।

৬১টি জেলার মধ্যে এখন ৪৯টি জেলায় নির্বাচন হবে। নির্দলীয় এ নির্বাচনে বিএনপি ও জাতীয় পার্টির প্রার্থী অংশ না নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে আগেই। এক্ষেত্রে ক্ষমতাসীন দল, জোটের শরিক ও অন্যরা প্রার্থী হচ্ছেন।

বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় যারা নির্বাচিত হতে যাচ্ছেন তারা হলেন মুন্সীগঞ্জের মো. মহিউদ্দিন, নারায়ণঞ্জের আনোয়ার হোসেন, গাজীপুরের মো. আখতারুজ্জামান, ঠাকুরগাঁওয়ের সাদেক কোরাইশী, জয়পুরহাটের আরিফুর রহমান রকেট, নাটোরের সাজেদুর রহমান খাঁন, সিরাজগঞ্জের আব্দুল লতিফ বিশ্বাস, নেত্রকোনার প্রশান্ত কুমার রায়, যশোরের শাহ হাদিউজ্জামান, ঝালকাঠির সরদার শাহ আলম, ভোলার আব্দুল মোমিন টুলু এবং বাগেরহাটের শেখ কামরুজ্জামান টুকু।

এদিকে, জেলা পরিষদ নির্বাচনে অনলাইনে প্রথমবারের মতো মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার প্রক্রিয়া চালু করলেও তাতে সাড়া পড়েনি। ২০ নভেম্বর তফসিল ঘোষণার পর এ পর্যন্ত কেউই অনলাইনে মনোনয়নপত্র দাখিল করেননি।

দলভিত্তিক ইউনিয়ন পরিষদ ও পৌরসভায় বিএনপি প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র জমা দিতে বাধা দেওয়ার অভিযোগের মধ্যে অনলাইনে মনোনয়নপত্র চালুর উদ্যোগ নেয় নির্বাচন কমিশন। শেষ পর্যন্ত জেলা পরিষদের ভোটে অনলাইন প্রক্রিয়া চালু হলেও তাতে অংশ নিচ্ছে না বিএনপি।

এ নির্বাচনে রিটার্নিং কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে মনোনয়নপত্র জমার দেওয়ার পাশাপাশি অনলাইনেও জমা দেয়ার সুযোগ রয়েছে।

ইসির তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি অনুবিভাগের সিস্টেম ম্যানেজার মো. রফিকুল হক বলেন, ‘শেষ দিন পর্যন্ত কেউই অনলাইনে মনোনয়নপত্র জমা দেননি। প্রথমবারের মতো এ সুযোগ রাখা হয়েছে। সরাসরি রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে গিয়ে জমা দেওয়ার সুযোগ থাকাতেই হয় তো সাড়া পড়েনি।’

তিন পার্বত্য জেলা বাদ দিয়ে বাকি ৬১ জেলায় প্রথমবারের মতো জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও সদস্য পদে ভোট হচ্ছে।

ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, ১ ডিসেম্বর ছিল মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিন। আগামী ৩ ও ৪ ডিসেম্বর যাচাই-বাছাই এবং প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় ১১ ডিসেম্বর। ভোট হবে ২৮ ডিসেম্বর সকাল ৯টা থেকে বেলা ২টা পর্যন্ত।

প্রসঙ্গত, কোনো পদে একজন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র জমা দেয়ার পর তা যাচাই-বাছাই শেষে বৈধ হলে এবং প্রত্যাহার শেষে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হওয়ার সুযোগ রয়েছে।

জেলা প্রশাসকরা এ নির্বাচনে রিটার্নিং কর্মকর্তা এবং সিনিয়র জেলা নির্বাচন অফিসার ও জেলা নির্বাচনী অফিসাররা সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। কোথাও কোথাও উপজেলা নির্বাচন অফিসারকেও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা করা হয়েছে।

প্রতিটি জেলায় স্থানীয় সরকারের জনপ্রতিনিধিদের ভোটেই জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও সদস্য নির্বাচিত হবেন। প্রতিটি জেলায় ১৫ জন সাধারণ ও পাঁচজন সংরক্ষিত মহিলা সদস্য থাকবেন।

প্রত্যেক জেলার অন্তর্ভুক্ত সিটি করপোরেশনের (যদি থাকে) মেয়র ও কাউন্সিলর, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান, ও ভাইস-চেয়ারম্যান, পৌরসভার মেয়র ও কাউন্সিলর এবং ইউপি চেয়ারম্যান ও সদস্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও সদস্য জেলা পরিষদ নির্বাচনের ভোটার হবেন। তাদের ভোটেই জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও সদস্য নির্বাচিত হবেন।

এ হিসাবে স্থানীয় সরকারের চার ধরনের প্রতিষ্ঠানের প্রায় ৬৭ হাজার নির্বাচিত প্রতিনিধি এ নির্বাচনে ভোট দেবেন।

jamunanews24.com/arif/Roushan/02 December 2016

� পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ �