A PHP Error was encountered

Severity: Warning

Message: getimagesize(http://www.jamunanews24.com/old_jamuna/assets/2016/01%20December/jamunanews24.com-Motiur.jpg?1480571612138): failed to open stream: HTTP request failed! HTTP/1.0 404 Not Found

Filename: controllers/Reader.php

Line Number: 308

Backtrace:

File: /var/www/html/old_jamuna/application/controllers/Reader.php
Line: 308
Function: getimagesize

File: /var/www/html/old_jamuna/application/controllers/Reader.php
Line: 66
Function: call_user_func_array

File: /var/www/html/old_jamuna/index.php
Line: 295
Function: require_once

A PHP Error was encountered

Severity: Warning

Message: getimagesize(/old_jamuna/assets/2016/01%20December/jamunanews24.com-Motiur.jpg): failed to open stream: No such file or directory

Filename: controllers/Reader.php

Line Number: 375

Backtrace:

File: /var/www/html/old_jamuna/application/controllers/Reader.php
Line: 375
Function: getimagesize

File: /var/www/html/old_jamuna/application/controllers/Reader.php
Line: 66
Function: call_user_func_array

File: /var/www/html/old_jamuna/index.php
Line: 295
Function: require_once

যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ নেত্রকোনা... | jamunanews24.com

যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ নেত্রকোনা... | jamunanews24.com

যমুনা নিউজ: নেত্রকোনা জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মতিউর রহমান খা...

বাংলা  
 অপরাধ
যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ নেত্রকোনা আ. লীগ সভাপতির বিরুদ্ধে
Published : Thursday, 1 December, 2016 at 11:53 AM,  Read :  115  times.
যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ নেত্রকোনা আ. লীগ সভাপতির বিরুদ্ধেযমুনা নিউজ: নেত্রকোনা জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মতিউর রহমান খানের বিরুদ্ধে একাত্তরে মানবতাবিরোধী অপরাধের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ উঠেছে। তার বিচার চেয়ে ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থায় আবেদন করেছেন স্থানীয় একজন মুক্তিযোদ্ধা।

একাত্তরে ‘পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর কাছে আত্মসমর্পণ করা তৎকালীন ছাত্রলীগ নেতা’ মতিউরের বিরুদ্ধে মুক্তিযোদ্ধাদের একজন সহযোগীসহ অন্তত দুজনকে ধরে নিয়ে নির্যাতন ও হত্যার অভিযোগ আনা হয়েছে।

তবে মতিউর রহমান খান কোনো ধরনের অপরাধে জড়িত থাকার কথা অস্বীকার করেছেন।

জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি ও মুক্তিযোদ্ধা মো. শামছুজ্জোহা সোমবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থার কার্যালয়ে এই অভিযোগ জমা দেন।

আবেদনের সঙ্গে তিনি একাত্তরে শান্তি কমিটির একটি সভার ‘প্রতিবেদনের অনুলিপি’ দেন, যেখানে সভায় অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে মতিউর রহমান খানের নাম রয়েছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থার সমন্বয়ক আব্দুল হান্নান খান জানান, মতিউর রহমান খান নামে নেত্রকোনার একজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ পেয়েছি। আমরা সেটাকে নথিভুক্ত করেছি।

মতিউরের বিরুদ্ধে তদন্ত সংস্থার কাছে দাখিল করা মুক্তিযোদ্ধা শামছুজ্জোহার অভিযোগ বলা হয়, একাত্তরে দুইবার তার বাড়ি আক্রান্ত হয়েছে। প্রথমবার ২০ এপ্রিল রাজাকার সৈয়দ হাফিজ উদ্দিন, সৈয়দ সোনা মিয়ার নেতৃত্বে ভোলা মিয়া, আল বদর শহীদুল্লাহ পিন্টু ও আব্দুর রহিম ফরাজী আক্রমণে অংশ নেন। তারা এসে বাড়ির মালামাল লুট করে নিয়ে যায়।

‘দ্বিতীয়বার পিন্টু-ফরাজী-ভোলা এলেও নেতৃত্বে ছিলেন আল বদর নেতা মতিউর রহমান খান। ওই দিন রাজাকার-আল বদররা আমার বাড়ির সমস্ত জিনিসপত্র ভাংচুর করে আগুন দিয়ে দেয়।’

দেশ স্বাধীন হওয়ার পর বাড়ি ফিরে এসব ঘটনা জানতে পেরেছেন জানিয়ে শামছুজ্জোহা বলেন, ‘আমি বাড়ি ঘর লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় জড়িত ওই রাজাকার-আল বদরদের বিচার চাই।’

অভিযোগে বলা হয়, ১৯৭১ সালের ১৪ অগাস্ট নেত্রকোনা সদরের কুরপাড়ের মুকতুল হোসেনের বাড়িতে আক্রমণ করে তাকে আটক করে আনসার ব্যারাকে বসানো হানাদার বাহিনীর ক্যাম্পে নিয়ে সারা রাত পৈশাচিক নির্যাতন করা হয়।

‘আল বদর মতিউর রহমান খানের নেতৃত্বে পিন্টু-ফরাজী-ভোলা ওই আক্রমণে অংশ নেয়। তারা পরে মুকতুল হোসেনকে মগড়া নদীর তীরে নিয়ে হত্যা করে লাশ নদীতে ফেলে দেয়। তার লাশ আর পাওয়া যায়নি।

অভিযোগে শামছুজ্জোহা আরও লিখেছেন, বাড়ি থেকে তাকে আটক করে নিয়ে যাওয়ার সময় এলাকার মানুষ ওই ঘটনা প্রত্যক্ষ করে। আমি সোর্সের মাধ্যমে উল্লিখিত ঘটনা জানতে পারি। পরে এলাকার লোকজনের কাছে ঘটনা জানতে পারি।

তিনি বলেন, একাত্তরে নেত্রকোনা কৃষি অফিসের পিয়ন মুকতুল আওয়ামী লীগের কর্মী ছিলেন। রাজাকার ও আল বদরদের তথ্য সংগ্রহ করে মুক্তিযোদ্ধাদের সাহায্য করতেন তিনি।
শামছুজ্জোহা বলেন, স্বাধীনতার আগে ১৯৬৮-৬৯ সালে মহকুমা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন মতিউর। ছাত্রলীগের প্যানেল থেকে নেত্রকোনা ডিগ্রি কলেজের জিএস হয়েছিলেন।
‘একাত্তরের জুলাই মাসের দিকে আত্মসমর্পণ করেন। পিস কমিটির কনভেনরের প্রধান সহকারী হিসেবে কাজ করতেন। উনার শ্বশুরের পরিবারের সবাই মুসলিম লীগের। তাদের মাধ্যমেই পাক বাহিনীর সঙ্গে তার সম্পর্ক হয়।’

মুক্তিযোদ্ধা শামছুজ্জোহা ২০০৪ থেকে ২০১০ সাল পর্যন্ত জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ছিলেন।

jamunanews24.com/ar/ 01 December 2016

� পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ �